১৭ জুন মৌলভীবাজার সফরে আসছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান,

 


মৌলভীবাজার জেলা সফরে আসছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সরকার গঠনের পর জেলাটিতে এটি হবে তার প্রথম সফর। এ উপলক্ষে আয়োজিত জনসভার ভেন্যু চূড়ান্ত করেছে জেলা বিএনপি। পূর্বনির্ধারিত রাজনগর উপজেলার পরিবর্তে জেলা সদরের মৌলভীবাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে প্রধান জনসভা আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. ফয়জুল করিম ময়ূন। তিনি জানান, প্রশাসনিক ও কৌশলগত কারণে রাজনগরের ভেন্যু পরিবর্তন করে জেলা সদরের সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জনসভা আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে শ্রীমঙ্গল উপজেলার ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে পূর্বনির্ধারিত আরেকটি ভেন্যু বহাল থাকবে।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, সফরকালে প্রধানমন্ত্রী দেশের তৃতীয় ধাপের ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন। এছাড়া শ্রীমঙ্গল ও রাজনগর উপজেলাসহ জেলার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের সম্ভাবনা রয়েছে।

ভেন্যু চূড়ান্ত হওয়ার পর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. ফয়জুল করিম ময়ূন, সদস্য সচিব আব্দুর রহিম রিপনসহ স্থানীয় নেতারা মৌলভীবাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ পরিদর্শন করেন। এ সময় তারা জনসভার প্রস্তুতি ও সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যালোচনা করেন।

মো. ফয়জুল করিম ময়ূন বলেন, ভেন্যু পরিবর্তন হলেও নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা বেড়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ১৭ জুনের জনসভা মৌলভীবাজারের অন্যতম বৃহৎ গণসমাবেশে পরিণত হবে।

জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আব্দুর রহিম রিপন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে জেলার মানুষের বিভিন্ন প্রত্যাশা রয়েছে। বিশেষ করে মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠা, শমশেরনগর বিমানবন্দরের আধুনিকায়ন ও পুনরায় চালু করা, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, কৃষি ও হাওরাঞ্চলের উন্নয়নসহ বিভিন্ন বিষয়ে ইতিবাচক অগ্রগতির আশা করছেন স্থানীয়রা।

তিনি আরও জানান, সফর সফল করতে প্রশাসনের পাশাপাশি স্থানীয় সংসদ সদস্য এম নাসের রহমানসহ রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ প্রস্তুতি গ্রহণ করছেন।

এদিকে সম্ভাব্য সফরকে সামনে রেখে সদর ও শ্রীমঙ্গল উপজেলায় প্রশাসনিক প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা, জনসমাগম নিয়ন্ত্রণ, যানবাহন চলাচল ব্যবস্থাপনা এবং সার্বিক সমন্বয় কার্যক্রম পরিচালনায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কাজ করছে বলে জানা গেছে।

দলীয় সূত্রের দাবি, জনসভায় প্রধানমন্ত্রী মৌলভীবাজারের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, চা-শ্রমিকদের কল্যাণ এবং কৃষি খাতের আধুনিকায়ন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা দিতে পারেন। তবে এ বিষয়ে সরকারি পর্যায়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেওয়া হয়নি।

সফরকে কেন্দ্র করে মৌলভীবাজার শহরে প্রস্তুতিমূলক তৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো সমন্বিতভাবে নিরাপত্তা ও সার্বিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে কাজ করছে।

পরবর্তী পোস্ট আগের পোস্ট
Comments
কমেন্ট করুন
comment url
Trulli